ব্রহ্মকুন্ড: আগরতলা-সিমনা প্রধান সড়কের ব্রহ্মকুন্ড শিববাড়ি সংলগ্ন পাকা সেতুর একাংশে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সিমনা অভিমুখে সেতুর এপ্রোচের বাঁদিকের উইংস ওয়াল ভেঙে নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত কয়েকদিনের লাগাতার ভারী বর্ষণের ফলে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মকুন্ড পর্যটন কেন্দ্র এলাকায় পর্যটন দপ্তরের নতুন নির্মাণকাজ চলার কারণে বিভিন্ন স্থানে মাটি ও পাথর স্তুপ করে রাখা হয়েছে। ফলে বৃষ্টির জল স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারেনি। সেই জল প্রবল বেগে সেতুর পাশ দিয়ে নদীতে পড়তে থাকায় ধীরে ধীরে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এর জেরেই উইংস ওয়াল ভেঙে পড়ে এবং রাস্তার নিচের অংশের মাটিও ধসে যায়। তবে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘদিন ধরে চলা নির্মাণকাজের সময় জল নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা কেন রাখা হয়নি? বিপজ্জনক অবস্থার পরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরদারি বা জরুরি তদন্ত কেন দেখা যাচ্ছে না? বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগেই মেরামতির উদ্যোগ নেওয়া হবে কি?
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ , উপর থেকে রাস্তা স্বাভাবিক মনে হলেও নিচের অংশ ফাঁপা হয়ে যাওয়ায় বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কোনো গাড়ি বাঁদিকে চাপ দিয়ে সেতুতে উঠতে গেলে রাস্তা ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানী অটোচালক গৌতম রায়, ধসে যাওয়া অংশে দ্রুত মেরামতির দাবি জানিয়ে বলেন, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে যে কোনও মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নির্মাণের পদ্ধতিতে গলদ থাকার অভিযোগ জানিয়ে অবিলম্বে পূর্ত দপ্তরের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাতায়াতকারীরা। এখন দেখার পূর্ত দপ্তর এই বিষয়ে কত তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেয়।
আরও পড়ুন: ফুটব্রিজ নির্মাণের ২ বছর পরেও হয়নি সংযোগকারী রাস্তা! ক্ষোভ বাড়ছে বিশ্রামগঞ্জের বড়জলা রাঙ্গা পানিতে
