ফুটব্রিজ নির্মাণের ২ বছর পরেও হয়নি সংযোগকারী রাস্তা! ক্ষোভ বাড়ছে বিশ্রামগঞ্জের বড়জলা রাঙ্গা পানিতে

ফুটব্রিজ সংযোগকারী রাস্তার দাবি

editorvanguard
2 Min Read
সংযোগকারী রাস্তা বিহীন ফুটব্রিজ

বিশ্রামগঞ্জ: ২৫ বছর ধরে অনেক আবেদন-নিবেদনের পর সিপাহীজলা জেলার বিশ্রামগঞ্জের (Bishramganj) বড়জলা রাঙ্গা পানি এলাকায় ২ বছর আগে একটি ফুটব্রিজ (Foot bridge) তৈরি হয়েছিল। কিন্তু, তারপর দু-বছর কেটে গেলেও ওই ফুটব্রিজে ওঠা-নামা করার জন্য সংযোগকারী রাস্তা নির্মাণ করা হয়নি। এর ফলে চরম ভোগান্তি পোয়াতে হচ্ছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের। পড়ুয়া থেকে রোগী, সমস্যায় পড়ছেন সকলেই।

যানবাহন দূরের কথা, পায়ে হেঁটে পারাপারও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বারবার স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবেদন করার পরে শনিবার ফুটব্রিজের একদিকে সংযোগকারী রাস্তা (Approach Road) তৈরি করা হলেও অন্যদিকে কোনও কাজ হয়নি। এর ফলে ক্ষোভ বাড়ছে বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার ও চড়িলাম আর ডি সাব ডিভিশনের (Charilam rd sub division) আধিকারিকদের উপর।

স্থানীয় এক ব্যক্তির অভিযোগ, ২৫ বছর ধরে আবেদন করার পর ২ বছর আগে ফুট ব্রিজটি তৈরি করা হয়নি। কিন্তু, সংযোগকারী রাস্তা না থাকায় চলাফেরা করা যাচ্ছে না। অনেক বার অনুরোধ করার পর শনিবার ব্রিজের একদিকে রাস্তা তৈরি করা হলেও অন্যদিকে হয়নি। ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে ফুটব্রিজ নির্মাণ করা হলেও সংযোগকারী রাস্তা কেন এখনও করা হল না তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এভাবে জনগণের করের টাকা কেন নয়ছয় করা হচ্ছে তাও জানতে চাইছেন ভুক্তভোগীরা। অবিলম্বে সংযোগকারী রাস্তা তৈরি করে ব্রিজটি ঠিকভাবে চালু করার দাবি করছেন।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে রাজ্যজুড়ে উন্নয়নের জোয়ার চলছে। ত্রিপুরার দুর্গম প্রান্তে থাকা প্রান্তিক মানুষদের কাছে সবরকম সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহার নেতৃত্বাধীন সরকার। কিন্তু, তার মাঝেই প্রদীপের নিচে থাকা অন্ধকারের মতো কিছু জায়গায় কয়েকজনের অসাধুতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য সাধারণ মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। বিশ্রামগঞ্জের বড়জলা রাঙ্গা পানিতেও সেই ঘটনা ঘটছে কিনা তা রাজ্য সরকারকে খতিয়ে দেখা উচিত।

আরও পড়ুন: আগরতলা-শিলচর রুটের ট্রেনের স্টপেজের দাবি, অবরোধে উত্তাল পানিসাগর রেল স্টেশন

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *