তেলিয়ামুড়া: তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাল পাড়ার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হতে চলেছে। খোয়াই নদীর উপর পাকা সেতু নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। যা শেষ হলেই এই এলাকায় যাতায়াত ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর এই সেতু নির্মাণের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক ও তেলিয়ামুড়ার বিধায়িকা কল্যাণী সাহা রায় ও পুর পরিষদ কর্তৃপক্ষকে।
তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়ায় প্রায় একশোরও বেশি পরিবার বসবাস করে। ২০২৩ সালের আগে এখানে খোয়াই নদী পারাপারের জন্য একটি বাঁশের সাঁকো ছিল। কিন্তু, প্রতিবছরই বর্ষাকালে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেলে সেই সাঁকো প্রায়ই জলের নিচে তলিয়ে যেত। ফলে সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং জরুরি প্রয়োজনে ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াতকারীদের প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হত। অনেক সময় আবার নদীতে জল বাড়ার কারণে কয়েক কিলোমিটার ঘুরপথেও যাতায়াত করতে বাধ্য হতেন এলাকাবাসী। বিভিন্ন দপ্তরে দরবার করে কোনও কাজ হয়নি বলেই অভিযোগ।
আরও পড়ুন: অভিষেক দেবরায়ের নেতৃত্বে আরও শক্তিশালী হবে সংগঠন, আশা মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের
তবে ২০২৩ সালে দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে আসেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক ও তেলিয়ামুড়ার বিধায়িকা কল্য়াণী সাহা রায়। তাঁর উদ্যোগে খোয়াই নদীর উপর শুরু হয় পাকা সেতু নির্মাণের কাজ। প্রায় তিন বছর পর সেই কাজ এখন শেষের পথে। যা দেখে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সেতুটিতে চলাচল শুরু হলে শুধু যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নই হবে না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও ব্যবসা-বাণিজ্য সহ এলাকার সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। স্থানীয় এক মহিলা জানান, আগে নদী পেরোতে খুব অসুবিধা হত। কিন্তু, নতুন সেতু চালু হলে আর কোনও সমস্যা হবে না।
আরও পড়ুন: জনজাতিদের সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ শিবির ঊনকোটিতে, উপকৃত প্রায় ২৬ হাজার মানুষ
