বিয়ের প্রায় ২ বছর পর উদ্ধার গর্ভবতী নাবালিকা! চাইল্ড লাইনের অভিযানে চাঞ্চল্য পানিসাগরে

চাইল্ড লাইনের অভিযানে উদ্ধার নাবালিকা গৃহবধূ

editorvanguard
2 Min Read
নাবালিকা গৃহবধূ

পানিসাগর: বিয়ের প্রায় ২ বছর বছর এক নাবালিকাকে গর্ভবতী অবস্থায় উদ্ধার করলেন চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পানিসাগর মহকুমার নয়দ্রোণ এলাকায়। ঘটনাটির কথা প্রকাশ্যে আসার পর উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

১০৯৮ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। তার ভিত্তিতে আগরতলা থেকে নির্দেশ যায় পানিসাগর চাইল্ড লাইনের আধিকারিকদের কাছে। আর শুক্রবার পানিসাগরের নয়দ্রোণ এলাকায় বিশেষ অভিযানে চালিয়ে গর্ভবতী অবস্থায় এক নাবালিকা গৃহবধূকে উদ্ধার করলেন তাঁরা। পানিসাগরের ডিসিএম বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে অভিযান ছিলেন চাইল্ড লাইনের আধিকারিক এবং পানিসাগর থানার পুলিশ কর্মীরা। জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁরা জানতে পারেন প্রায় দু বছর আগে ওই নাবালিকার বিয়ে হয়েছিল। বর্তমানে তার বয়স ১৫ বছর ৬ মাস ও যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তার বয়স ১৯ বছর ৪ মাস। দীর্ঘ আলোচনার পর নাবালিকা বধূকে ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার পিতার বাড়িতে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ধর্মনগরের আলগাপুর এলাকায় নিজের পরিবারের আশ্রয়ে রয়েছে সে।

আরও পড়ুন: গন্ডাছড়ার পঞ্চরতন ভিলেজে আমবাগান ধ্বংস করার অভিযোগ, দোষীর গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব ক্ষতিগ্রস্ত

তবে এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পরেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যখন বাল্য বিবাহ আটকানোর জন্য একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও-এর মতো প্রকল্প চালু করেছে। তখন পানিসাগর মহকুমাজুড়ে বাল্য বিবাহের ঘটনা দিনদিন বৃদ্ধি পেলেও প্রশাসন ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি বিয়ে হয়ে যাওয়ার দীর্ঘদিন পর ওই নাবালিকাকে গর্ভবতী অবস্থায় এভাবে উদ্ধার করে সমাজকে কী বার্তা দেওয়ার চেষ্টা হল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সঠিক সময় সঠিক কাজ না করে এভাবে দুটি পরিবারকে বিড়ম্বনার মধ্যে ফেলে আদৌও বাল্য বিবাহ কতটা আটকানো যাবে তাও বুঝে উঠতে পারছেন না অনেকেই।

আরও পড়ুন: দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ধর্মনগরের মৃত কাউন্সিলরের মা

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *