বগাফা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ, ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকায় বন দপ্তর!

বগাফায় মাটি মাফিয়াদের বাড়বাড়ন্ত

editorvanguard
2 Min Read
নির্বিচারে কাটা হচ্ছে বন দপ্তরের জমির মাটি

বগাফা: বগাফা বন দপ্তরের অন্তর্গত কলসী দাগাইছড়ায় বন দপ্তরের জায়গা থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। এবার খোদ বগাফা ফরেষ্ট রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন এলাকায় একাধিক গাছ কাটার পর সেখানকার মাটি অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠল। এই বিষয়ে অতীতে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বন আধিকারিকের বিরুদ্ধ নানা অভিযোগ উঠেছিল। এবার শান্তির বাজার মহকুমার বন দপ্তরের আধিকারিক ও বগাফা ফরেষ্ট রেঞ্জারের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠছে।

এমনকী বগাফা বন দপ্তরের জায়গায় দোকান নির্মাণ করে ব্যবসা করার পরেও বন দপ্তর কোনও প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের সামনে একটি ওষুধের দোকানও গড়ে উঠেছে বন দপ্তরের জায়গায়। তারপরেও কোনও হেলদোল নেই। বর্তমানে বন দপ্তরের জায়গায় পুর পরিষদের উদ্যোগে স্টল তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৫ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অসম-আগরতলা সড়ক ও রেল অবরোধের ডাক ত্রিপুরা গেরিলা প্রত্যাবর্তিত দাবি কমিটির

দীর্ঘদিন ধরেই বগাফা বন দপ্তরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বনদস্যু ও মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অবৈধভাবে বালি পাচার ও গাছপালা ধ্বংসের কাজে যুক্ত অভিযোগ উঠছিল। এখন রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন এলাকায় বন দপ্তরের জায়গার মাটি বিক্রিকে কেন্দ্র করে উঠছে নানান প্রশ্ন। কলসী দাগাইছড়া এবং বগাফা ফরেষ্ট রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রকাশ্য দিবালোকে লোকজন মাটি কেটে নিয়ে ব্যবসা করছে। কিন্তু নির্বিকার বন দপ্তর ও প্রশাসন। তারা কেন ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করছে তা নিয়ে প্রশ্ন স্থানীয়দের। বগাফা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে নির্বিচারে মাটি কেটে যথেচ্ছ ভাবে নিয়ে যাওয়ার ফলে থানা সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার হাল বেহাল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা ও যাতায়াতকারীদের। রাস্তায় যত্রতত্র মাটি পড়ে থাকার পাশাপাশি মাটির গাড়ির চাপে কিছু জায়গায় রাস্তা ভেঙে গেছে। বর্ষার সময় যার হাল ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন দেখার প্রশাসন এই সমস্যা সমাধানে কোনও ব্যবস্থা নেয় কিনা।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *