মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই কাজ! বিলোনিয়ার মুহুরী নদীর বাঁধ পরিদর্শন দক্ষিণ জেলার জেলাশাসকের

দ্রুত কাজ শেষের আশ্বাস

editorvanguard
2 Min Read
বিলোনিয়া মুহুরী নদীর বাঁধের কাজ পরিদর্শনে জেলাশাসক মহম্মদ সাজ্জাদ পি

বিলোনিয়া:  দুদিন আগেই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। আর সোমবারই বিলোনিয়ার মুহুরী নদীর বাঁধ পরিদর্শন করতে দেখা গেল দক্ষিণ জেলার জেলাশাসক মহম্মদ সাজ্জাদ পি-কে। সংশ্লিষ্ট দফতরের অধিকারিকদের নিয়ে ঘুরে দেখলেন বাঁধের পরিস্থিতি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে দিলেন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস।

মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার বিশেষ নজরদারিতে তৈরি হচ্ছে বিলোনিয়ার মুহুরী নদীর বাঁধ। রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রস্তুতি নিয়ে দু দিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত জেলা শাসকদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়ায় মুহুরী নদীর নবনির্মিত বাঁধের খোঁজ খবর নেন। সোমবার বাঁধ ও তার উপর নির্মিত ইটের সলিং রাস্তা পরিদর্শন করলেন দক্ষিণ জেলার জেলাশাসক মহম্মদ সাজ্জাদ পি। বিলোনিয়া পুর পরিষদের অধীন বরজ কলোনির রতনমনি সেতু থেকে মহাশ্মশান ঘাট, বনকর হয়ে মহকুমা শাসকের কার্যালয় পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। জেলাশাসক বলেন বাঁধ নির্মানে সময় বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে, সেই গুলো খুব তাড়াতাড়ি শর্ট আউট করে সমাধান করা হবে।

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দাদের একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। অভিযোগ, বাঁধ ও রাস্তা নির্মাণের ফলে বহু বাড়িতে যাতায়াতের প্রবেশপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণকাজে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও এলাকাবাসী প্রশাসনের নজরে আনেন। এদিনের পরিদর্শনে জেলাশাসক বাঁধ নির্মাণে যুক্ত বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন। জেলাশাসক এলাকাবাসীদের আশ্বস্ত করেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই তাদের দাবি ও সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পর বিলোনিয়াবাসীকে ভবিষ্যতে বন্যার জল থেকে সুরক্ষা দিতে মুহুরী নদীর তীরবর্তী বাঁধ সংস্কার করা হয় এবং বাঁধের উপর একটি ইটের সলিং রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এদিন জেলাশাসক মোহাম্মদ সাজ্জাদ পি-র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিলোনিয়া পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন নিখিল চন্দ্র গোপ, পূর্ত দফতরের আধিকারিক সহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *