আগরতলা: শুক্র ও শনিবার উত্তর এবং ধলাই জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রকাশ পেল আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে। কারণ বঙ্গোপসাগরে দানা বাঁধতে চলেছে নিম্নচাপ। এর ফলে সপ্তাহান্তে বৃষ্টিতে ভাসার সম্ভাবনা পশ্চিমবঙ্গের বেশকিছু জেলা! এর মাঝে বন্যা বিপর্যস্ত অসম ও অরুণাচলের পাশে থাকার বার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার।
আগরতলা সহ সমগ্র ত্রিপুরাজুড়ে আগামী দিনে আবহাওয়ার বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, আগামীকাল অর্থাৎ ৩ ও ৪ জুলাই ত্রিপুরার অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর এবং ধলাই জেলায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য হলুদ সতর্কতা বা ইয়েলো ওয়ার্নিং জারি করেছে। একই সঙ্গে ত্রিপুরার এক বা একাধিক জায়গায় বজ্রপাতেরও আশঙ্কা রয়েছে বলে বুলেটিনে জানানো হয়েছে। আগরতলা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। তবে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬% পর্যন্ত পৌঁছানোর কারণে কিছুটা অস্বস্তি বজায় থাকতে পারে। আগামী ৩-৪ দিন রাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরের বুকে ঘনীভূত ঘূর্ণাবর্তের জেরে ফের দুর্যোগের মুখে বাংলা। আলিপুর হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩ জুলাই বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ দানা বাঁধতে চলেছে, যার প্রভাবে সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। মৎস্যজীবীদের ৩ জুলাই থেকে সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি জারি থাকবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্য অসমে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে ঘর ছাড়া বহু মানুষ।
কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান ও সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু হেলিকপ্টারে ধেমাজির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। দুর্গতদের উদ্ধার, ত্রাণ, পুনর্বাসন ব্যবস্থার খোঁজ নেন তাঁরা। কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ বলেছেন, খুব বড় সংকট,বন্যা পরিস্থিতিতে অসমকে সবরকম সহায়তা করবে কেন্দ্রীয় সরকার। অরুণাচলেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত, দুটি রাজ্যকেই কেন্দ্রীয় সরকার সাহায্য করবে।
