আগরতলা: ত্রিপুরা সরকার রাজ্যের সমস্ত সরকারি চিকিৎসকদের জন্য প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিষিদ্ধ করেনি। শুধুমাত্র আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজ এবং জিবি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্যানিক না ছড়ানর বার্তা বিজেপি মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তীর
ত্রিপুরা সরকার রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। এই খবর উত্তরে চুরাইবাড়ি থেকে দক্ষিণেরে মৈত্রীসেতু এলাকার মানুষের মুখে মুখে। সমাজ মাধ্যমের দেওয়াল ভরে গেছে ত্রিপুরার বিজেপি সরকার সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করে দিয়েছে। কেউ সরকারকে জানিয়েছেন সাধুবাদ। কেউবা তীব্র সমালোচনা করছেন সরকারের। এই আবহে মুখ খুলল শাসক দল বিজেপি। সাংবাদিক সম্মেলন করে দলের মন ভাব স্পষ্ট করে জানালেন মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী। তিনি বলেন, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এটি একটি ভুয়ো খবর। কেউ বা কারা সরকারকে কালিমালিপ্ত করার জন্য, ভুল তথ্য প্রচার করেছে। ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষের মধ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্যানিক তৈরি করতে চাইছে।
সুব্রত আরও বলেন, ত্রিপুরা সরকার রাজ্যের সমস্ত সরকারি চিকিৎসকদের জন্য প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিষিদ্ধ করেনি। শুধুমাত্র আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজ এবং জিবি হাসপাতালের শিক্ষক ও মেডিকেল অফিসারদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় গত রবিবার থেকে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখা বন্ধ রেখেছেন তাঁরা। AIIMS – এর নির্দেশিকা মেনে রাজ্যের প্রধান এই রেফারেল হাসপাতালটিকে একটি ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলা এবং সরকারি হাসপাতালে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা ও সময়োপযোগিতা নিশ্চিত করা।
মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি জনস্বার্থে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মানোন্নয়নের কথা ভেবে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা প্রাইভেট প্র্যাকটিস থেকে সরে এলে তাঁরা সরকারি হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা এবং মেডিকেল পড়ুয়াদের প্রতি মনোযোগ দিতে পারবেন। যার হলে ত্রিপুরায় একটি মেডিকেল হাব তৈরী হবে।
