আগরতলা: সপ্তাহের প্রথমদিনেই আগরতলার প্রাণকেন্দ্র ওরিয়েন্ট চৌমুহনীতে দিনদুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে এক ব্যক্তির উপর প্রাণঘাতী হামলাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। সামান্য বচসা মুহূর্তেই পরিণত হল রক্তাক্ত সংঘর্ষে।
সামনে এলো সমাজ ব্যবস্থায় একাংশের অসহিষ্ণুতার চরম নিদর্শন। সামান্য বচসাকে কেন্দ্র করে এক দুষ্কৃতী ধারালো দা দিয়ে অপর এক ব্যক্তির উপর এলোপাথাড়ি হামলা চালায়। রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে আহত ব্যক্তি। ঘটনাটি স্বচক্ষে দেখে আতঙ্কিত ও হতবাক হয়ে পড়েন উপস্থিত সাধারণ মানুষ। এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। তবে উপস্থিত কিছু মানুষ ওই হামলাকারীকে উত্তম মাধ্যম দিয়ে প্রতিহত করেন।
খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা প্রায় ১৫ মিনিট পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, ঘটনাস্থল থেকে পশ্চিম থানার দূরত্ব মাত্র প্রায় ৩০০ মিটার হলেও, পুলিশ পৌঁছাতে ন্যূনতম আধঘণ্টা সময় নেয়, বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিলম্ব ঘিরে জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন বাড়ছে। কেন এত কাছে থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ঘটনাস্থলে সময়মতো পৌঁছাতে পারল না? এই হামলার নেপথ্যে কি শুধুই বচসা, নাকি নেশাজাতীয় কোনো চক্রের যোগ রয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।
তবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগরতলার প্রাণকেন্দ্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তাঁরা। পুলিশের একাংশের দুর্নীতি ও উদাসীনতার জন্যই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে তাঁদের অভিযোগ।
