বিশালগড়: দক্ষিণেশ্বরীর নবনির্মিত কালীমন্দির উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রীর আধ্যাত্মিক উন্নয়নের বার্তা। ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত। আস্তিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের ভূমিকা উপস্থাপন। বিশালগড়ে মন্দির উদ্বোধন ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ।
বিশালগড়ে দক্ষিণেশ্বরীর নবনির্মিত কালীমন্দিরের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। বুধবার আয়োজিত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের আধ্যাত্মিক পরিবেশ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত দেব এবং টিআইডিসির চেয়ারম্যান নবদল বণিক সহ অন্যান্য বিশিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
নিজের বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে আস্তিকতার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হয়েছে। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য ইতিবাচক আবহ তৈরি হয়েছে। তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে বলেন, অতীতে ধর্মীয় অনুভূতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি সেই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, যা এখন দেওয়া হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এই ঐতিহ্যকে রক্ষা ও আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে এবং বহু প্রাচীন মন্দির ও ধর্মীয় স্থানের সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
মন্দির উদ্বোধনের আগে বিশালগড় বাইপাস এলাকায় পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের পূর্ণাবয়ব মূর্তির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এক্ষেত্রেও দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকদের পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয় এবং বাঁধভাঙ্গা উৎসাহ পরিলক্ষিত। পরে দক্ষিণেশ্বরী কালীমন্দিরে পূজা-অর্চনায় অংশ নিয়ে তিনি রাজ্যের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করেন। মন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে গোটা বিশালগড়ে উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয় এবং বিপুল সংখ্যক ভক্ত ও সাধারণ মানুষের সমাগম ছিল লক্ষণীয়।
