রাজ্যে ফের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে পশ্চিম আগরতলা মহিলা থানার পুলিশ

সমাজমাধ্যমে পরিচয় থেকে এক হয়েছিল চার হাত

editorvanguard
2 Min Read
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যাদের সঙ্গে নির্যাতিতা

আগরতলা: ফের রাজ্যে নির্যাতনের শিকার হলেন এক তরুণী গৃহবধূ। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আগরতলার এডি নগরের এইচডি মিশন রোডের শ্বশুর বাড়ি থেকে তাঁকে সন্তান সহ উদ্ধার করলেন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা। বর্তমানে নির্যাতিতা গৃহবধূর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পশ্চিম আগরতলা মহিলা থানার পুলিশ।

নির্যাতিতার দাবি, তাঁর বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার উপকন্ঠ বেলঘরিয়ায়। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় ত্রিপুরার রাজধানী আগরতালার এডি নগরের যুবক প্রসেনজিৎ আচার্যের সঙ্গে। বন্ধুত্ব প্রেমে গড়াতে সময় লাগেনি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে এক হয় চার হাত। নিজের সংসার গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বেলঘরিয়া থেকে আগরতলায় আসেন নববধূ। কিন্তু, বিয়ের এক মাসের মধ্যেই কাচের মতই ভেঙে যায় তাঁর স্বপ্ন। অভিযোগ, প্রতিদিনই জুটতে থাকে শ্বশুরবাড়ির মার। কিন্তু সামাজিক লজ্জার কারণে কাউকে বলতে পারেনি ওই যুবতী। এর মধ্যেই এক সন্তানের জন্ম দেন তিনি। তারপর কয়েক মাসের মধ্যেই জানতে পারেন তাঁর সন্তান বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন মূক ও বধির। আর তখন থেকেই বাড়তে থাকে তাঁর ওপর শ্বশুরবাড়ির লোকেদের অত্যাচার।

সোমবার চরমে পৌঁছায় অটো চালাক স্বামী প্রসেনজিতের অত্যাচার। তরুণী প্রথমবার গোটা বিষয় খুলে জানান তাঁর মা-বাবাকে। বেলঘরিয়া থেকে তাঁর মা-বাবা এক পরিচিতর মাধ্যমে আগরতলায় নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আর প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা পুলিশের সাহায্য নিয়ে এডি নগরের এইচডি মিশন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে তরুণী গৃহবধূকে।

ইতিমধ্যে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। তদন্ত শুরু করেছে মহিলা থানর পুলিশ। তবে প্রসেনজিৎ আচার্য বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *