আগরতলা: মহারাজগঞ্জ বাজারে বেআইনি ভাবে সরকারি জমি বিক্রির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। বাজার কমিটির কয়েকজন পদাধিকারীর বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ।
মহারাজগঞ্জ বাজারের সুলভ শৌচাগারের পেছনে থাকা একটি খালি জায়গা নিয়ে এই বিতর্কের সূত্রপাত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একসময় ওই স্থানে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অস্থায়ীভাবে বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁদের নিজস্ব তৌজি থাকায় তাঁরা অন্যত্র চলে যান। সেই কারণে জায়গাটি দীর্ঘদিন খালি পড়ে ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, মহারাজগঞ্জ বাজার খুচরা সবজি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক নকুল দেবনাথ, পাইকারি কমিটির সম্পাদক বিকাশ সাহা এবং খান্না মার্কেটের সহ সভাপতি হরিহর দেবনাথ মিলে ওই সরকারি জায়গার উপর নির্মিত দুটি ঘর ২০ লক্ষ টাকায় এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন।
এই অভিযোগ তুলেছেন কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্য।
আরও পড়ুন:
এদিকে দুটি ঘর সর্বমোট কুড়ি লক্ষ টাকা দিয়ে কেনার কথা। তিনি ১০ লক্ষ টাকা বায়না করেছেন, বলে জানিয়েছেন বিতর্কিত জমির একাংশের ক্রেতা স্থানীয় এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। এছাড়া আরও একটি ঘর ১২ লক্ষ টাকায় অন্য এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়েছে, বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেখানে স্থায়ী দালান নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে বিষয়টি বাজারের কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা নির্মাণকাজে বাধা দেন।
এখন প্রশ্ন সরকারি জমি বিক্রির ক্ষমতা অভিযুক্তদের কে দিল? জমি বা ঘর হস্তান্তরের জন্য প্রদর্শিত কাগজপত্রের বৈধতা কতটা? সরকারি সম্পত্তি বিক্রির অভিযোগ সত্য হলে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেবে? ইতিমধ্যেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি উঠছে।
