আগরতলা: জাতীয় স্তরে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উৎকর্ষে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ত্রিপুরা। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রকের প্রদত্ত মর্যাদাপূর্ণ নানাজি দেশমুখ পঞ্চায়েত শতত বিকাশ পুরস্কার পেয়েছে সিপাহীজলা জেলা পরিষদ। দেশের সেরা জেলা পরিষদ হিসেবে প্রথম স্থান অধিকার করেছে তারা। একইসঙ্গে ঊনকোটি জেলার কাঞ্চনবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতও নিজ বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আর পশ্চিম জেলার বৈকুণ্ঠপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দীনদয়াল উপাধ্যায় পঞ্চায়েত শতত বিকাশ মহিলা সহায়ক পঞ্চায়েত বিভাগে তৃতীয় স্থান লাভ করেছে। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জাতীয় মঞ্চে রাজ্যের এই সাফল্যের কথা তুলে ধরেন পঞ্চায়েত ও উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মন।
তিনি বলেন, পঞ্চায়েত দপ্তর শুধুমাত্র পুরস্কার অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে না। গ্রামীণ মানুষের কাছে আরও বেশি জনপ্রিয় ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পঞ্চায়েতকে গড়ে তুলতেই সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পঞ্চায়েত মন্ত্রী আরও জানান, পুরস্কারের অংশ হিসেবে সিপাহীজলা জেলা পরিষদ পাঁচ কোটি টাকা, কাঞ্চনবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এক কোটি টাকা এবং বৈকুণ্ঠপুর গ্রাম পঞ্চায়েত পঁচিশ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান পাবে। এই অর্থ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হবে।
অন্যদিকে অমরপুর আরডি ব্লকে বিডিওকে হেনস্থার ঘটনায় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও শনিবার জানান মন্ত্রী। বলেন, এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
উচ্চশিক্ষা প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মন জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের ভিত্তিতে কাকড়াবন-করবুক মহাবিদ্যালয় এবং আমবাসা মহাবিদ্যালয়কে এমবিবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত করার পথ সুগম হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি তা সম্পন্ন হবে। এর ফলে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং শিক্ষার্থীরা আরও উন্নত একাডেমিক সুযোগ-সুবিধা লাভ করবে।
