বিলোনিয়া: বিলোনিয়ায় একাধিক গরু চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের মেলাঘর থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মেলাঘর থানা ধৃতদের বিলোনিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
গরু চুরির তদন্তে পুলিশের সাফল্য
কিছুদিন ধরে গরু চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বিলোনিয়া মহকুমার বাসিন্দারা। এপ্রিল মাস থেকে ৫২টি গরু চুরি হয়েছে। গরু চোরদের বাড়বাড়ন্তের পিছনে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করে ডেপুটেশন জমা থেকে শুরু করে পথ অবরোধও করেছেন মানুষ। যার জেরে নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। আর তদন্তে নেমেই মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে বুধবার মেলাঘর থেকে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। এই তালিকায় সবুজ মিঞা ও ইমরান হোসেন নামে দুই যুবক ছাড়াও এক নাবালক রয়েছে। ধৃতদের পরে বিলোনিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় মেলাঘর থানা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিলোনিয়া থানার ওসির কক্ষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধৃতদের গ্রেপ্তারি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেন দক্ষিণ জেলার পুলিশ সুপার মৌর্য কৃষ্ণ সি। গরু চুরি চক্রে ২০ থেকে ২৫ জন আছে বলে দাবি করেন তিনি। তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিয়ে মানুষের কাছে সন্দেহজনক গতিবিধি ও অবৈধভাবে পশু পরিবহন করতে দেখলেই নিকটবর্তী থানায় জানানোর অনুরোধ করেন।
প্রভাবশালীদের প্রভাব!
ধৃত তিনজনকে বৃহস্পতিবার আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে চেয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি গরু চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ করে খুব তাড়াতাড়ি বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পুলিশ। এখন দেখার কত তাড়াতাড়ি তদন্ত শেষ করে গরু চোরদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয়? বন্ধ হয় কিনা বিলোনিয়ায় গরু চোরদের তাণ্ডব। পাশাপাশি এই বিষয়ে প্রভাবশালীরা জড়িত আছে বলেই অভিযোগ উঠছে। তাই তাদের প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে কীভাবে প্রশাসন গরু চোরদের মোকাবিলা করবে তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: আগরতলা-শিলচর রুটের ট্রেনের স্টপেজের দাবি, অবরোধে উত্তাল পানিসাগর রেল স্টেশন
