ধর্মনগর: উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেই মানুষের জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছেন ধর্মনগরের বিজেপি বিধায়ক জহর চক্রবর্তী। বুধবার সকালে তার প্রমাণ পাওয়া গেল ধর্মনগরের কদমতলা-রানিবাড়ি সড়কের বাংলা বাজারের সামনে। দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় রাস্তার অবস্থা বেহাল। রাস্তার ধারে উপযুক্ত নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় জল জমে থেকে রাস্তার প্রায় কুড়ি থেকে ত্রিশ হাত অংশ সম্পূর্ণভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার আবেদন জানালেও কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকী কদমতলা-কুর্তি বিধানসভার সিপিএম বিধায়ক ইসলাম উদ্দিনের বিরুদ্ধেও ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করার অভিযোগ উঠছে।
এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা দূর করার জন্য এগিয়ে আসেন বিজেপির কদমতলা মণ্ডলের সভাপতি বিমল পুরকায়স্থ এবং উত্তর জেলা বিজেপির সহ সভাপতি করুণা নাথ। তাঁরা পুরো বিষয়টি ধর্মনগরের নবনির্বাচিত বিধায়ক জহর চক্রবর্তীকে জানান। আর তারপরই দ্রুত জেলা পূর্ত দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ও সংশ্লিষ্ট এসডিওদের সঙ্গে আলোচনা করে রাস্তার অস্থায়ী সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। বুধবার সকালে সংস্কার কাজের তদারকিতেও সরেজমিনে উপস্থিত ছিলেন ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী। রাস্তার ক্ষতিগ্রস্ত অংশে পাথর ফেলে আপাতত চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। অন্য বিধানসভার জনপ্রতিনিধি হয়েও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তাঁর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী।

এপ্রসঙ্গে ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী জানান, কদমতলা-রানীবাড়ি সড়কটি প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার আওতাধীন হওয়ায় পূর্ত দপ্তর সরাসরি স্থায়ী সংস্কারের কাজ করতে পারছে না। নিয়ম অনুযায়ী, নির্মাণকারী সংস্থা পাঁচ বছর পর্যন্ত রাস্তার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকে। এরপর রাস্তা পূর্ত দপ্তরের হাতে হস্তান্তর করা হলে স্থায়ী সংস্কারের দায়িত্ব গ্রহণ করা সম্ভব হবে। তাই এখন সাময়িক ভাবে চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলেও জহর চক্রবর্তীর উদ্যোগে রাস্তার অন্তত একটি অংশ সংস্কার হওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে স্থানীয় সিপিএম বিধায়ক ইসলাম উদ্দিন কেনও রাস্তা সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না প্রশ্ন তুলেছেন তা নিয়েও।
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বসিত জনতা, উন্নয়নের নয়া দিশা দেখালেন ডাঃ মানিক সাহা
