বিশালগড়: জমি মাফিয়াদের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে বিশালগড়ে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় চলে গেছে যে পাঁচিল ভেঙে সরকারি জমিও দখল করে নিচ্ছে তারা। আর প্রশাসন তদন্তে নেমে এখনও অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে পারছে না।
বেশ কিছুদিন ধরেই বিশালগড়ে একের পর এক অসামাজিক কর্মকাণ্ড ঘটে চলেছে। চুরি, ছিনতাই,রাহাজানি, দখলদারি ও বেআইনি নির্মাণ থেকে শুরু করে সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনায় বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে এই মহকুমা। এবার সরাসরি সরকারি দেওয়াল ভাঙা ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এল বিশালগড় মোটর স্ট্যান্ড এলাকায়। সরকারি দেওয়াল ভেঙে রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে জমি ভরাট করার অভিযোগ উঠল একদল অজ্ঞাত জমি মাফিয়ার বিরুদ্ধে।
প্রভাবশালীদের প্রভাব!
অভিযুক্তদের পরিচয় নিয়ে এলাকায় চাপা গুঞ্জন থাকলেও প্রকাশ্যে অবশ্য কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। শনাক্ত করতে পারছে না পুলিশও। তাই আতঙ্ক নাকি প্রভাবশালীদের চাপ। সেটাই এখনই মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের একাংশের অভিযোগ, বিশালগড়ে জমি মাফিয়াদের দাপট এতটাই বেড়েছে যে সরকারি সম্পত্তিও আর নিরাপদ নয়। আর এর পিছনে কিছু সরকারি আধিকারিকের পাশাপাশি প্রভাবশালীদের হাত রয়েছে বলেও দাবি তাঁদের। বিশালগড়ের মহকুমা শাসক বিংকি সাহা। তাঁর নেতৃত্বে প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে এলাকা পরিদর্শন করে। শুরু হয় ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত। সরকারি দেওয়াল ভাঙা, ভরাট হওয়া জমি এবং আশপাশের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি, বলে জানালেন মহকুমা শাসক।

সরকারি জমি দখলের খবর পেয়ে বুধবার সকালে বিশালগড়ের মহকুমা শাসক বিংকি সাহার নেতৃত্বে প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে এলাকা পরিদর্শন করে। শুরু হয় ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত। সরকারি দেওয়াল ভাঙা, ভরাট হওয়া জমি এবং আশপাশের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়।এখন প্রশ্ন উঠছে, সরকারি দেওয়াল ভেঙে এই দুঃসাহসিক জমি ভরাট কি শুধুই সাধারণ দুষ্কৃতীদের কাজ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় কোনও প্রভাবশালী চক্র? যদি প্রভাবশালীরা থাকে তাহলে সব সেটিং হয়ে যাবে বলেই কটাক্ষ নিন্দুকদের।
আরও পড়ুন: দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ধর্মনগরের মৃত কাউন্সিলরের মা
