আগরতলা: আগরতলার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি লেনের টিফটের কনফারেন্স হলে বুধবার অনুষ্ঠিত হল “মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু” কর্মসূচি। এদিনের অনুষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো ভার্চুয়ালি হয়। সকাল এগারোটা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। কর্মসূচিটিকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলেো ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও তৎপরতা।

গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানের প্রাথমিক পর্বে বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরের আধিকারিক, আমন্ত্রিত অতিথি ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন ধলাই জেলার জেলাশাসক ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তারা। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলা, দ্রুত পরিষেবা দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তৎক্ষণাৎ তার সমাধানের ব্যবস্থা করা। সরকারের সঙ্গে কীভাবে জনতার সম্পর্ক সুদৃঢ় করা যায় তার দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শও বুধবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জনসংযোগ
সরকারের উন্নয়নমূলক ভাবনা ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিক প্রয়াস এক্ষেত্রে স্পষ্ট। যা ভালোভাবে অনুভব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষ। মহতী এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আপ্লুতও হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার বার্তায় উন্নয়নের দিশাই দেখতে পাচ্ছেন তাঁরা। রাজ্যজুড়ে তাঁর নেতৃ্ত্বে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে ভাবে কাজ করছে তার প্রশংসা করে আগামীতে আরও ভালো দিন দেখতে পাবেন বলেই আশা প্রকাশ করছেন। সেই সঙ্গে এই ধরনের জনসংযোগের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: বিশালগড়ে সরকারি পাঁচিল ভেঙে অবৈধ ভাবে জমি ভরাট, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
সমাজে প্রভাব
তাঁদের কথায়, এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে শাসকের সঙ্গে শাসিতের সম্পর্ক সাবলীল হয়। যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। অনেকে আছেন যাঁরা রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সুবিধার থেকে ভালো ব্যবহার বেশি আশা করেন। চান তাঁদের দ্বারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কোনও সুবিধা দিতে না পারলেও যেন ভালো ব্যবহার করেন। তাঁদের কথা শোনেন। মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষুতে সেই জনতার কথাই শোনেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। রাজ্যের নাগরিকদের সমস্যার কথা শুনে তার সমাধান করার আন্তরিক চেষ্টা করেন। যা রাজ্যের আম জনতার মনে যথেষ্ট ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সরকারের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করে বলে দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।
