Connect with us
Your site title

Entertainment

পৌষ সংক্রান্তির বুড়ির ঘর কিংবা আলন্তি ঘর প্রাচীন ঐতিহ্য

Published

on

বুড়ির ঘর বা আলন্তি ঘরের বনভোজন।এমনটা প্রত্যক্ষ করা যায় কেবল বাংলা বছরের পৌষ মাসে।বিজ্ঞানের যুগে বুড়ির ঘর বিলুপ্তির পথে। কেবল গ্রামীণ এলাকাগুলিতে পৌষ পর্বের বুড়ির ঘর দেখা যায়। তবে পৌষ সংক্রান্তিতে শহর এলাকাতেও কচিকাঁচারা বনভোজনে মেতে ওঠে। কিন্তু বুড়ির ঘর দেখা যায় না। কারণ বিজ্ঞান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে শহর এলাকায় বনভোজনের নামে ফেসান প্রত্যক্ষ করা যায়। আর প্রাচীনকালের বাস্তব চিত্র পাওয়া যায় গ্রামীন এলাকাগুলিতে।

পৌষ সংক্রান্তির বুড়ির ঘর কিংবা আলন্তি ঘর প্রাচীন ঐতিহ্য। সোমবার বুড়ির ঘর এর বাস্তব চিত্র দেখা গেল তেলিয়ামুড়া শহর থেকে প্রায় বারো কিলোমিটার দূরে মানিক বাজার সংলগ্ন রমাকান্ত পাড়ায়। সেখানে গিয়ে দেখা গেল এলাকার জনজাতি অংশের কচিকাঁচারা মিলে বুড়ির ঘর তৈরি করছে। উদ্দেশ্য পৌষ সংক্রান্তির রাতে নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে বনভোজন করা। কচিকাঁচারা খর এবং বাঁশ বেত দিয়ে ঘর তৈরি করছে বনভোজন করার জন্য।

আদতে প্রাচীন ঐতিহ্যকে ধরে রাখা। বছরে একটি দিনেই এমন বাস্তব চিত্র পাওয়া যায় পৌষ সংক্রান্তির রাতে। হাতে সময়ও কম তাই উঠতি বয়সের কচিকাঁচারা বুড়ির ঘর তৈরি করে রেখেছে । আর দুই একদিন পরেই কচিকাঁচারা বুড়ির ঘরে বনভোজনে মেতে উঠবে।কচিকাঁচাদের মধ্যে এ যেন এক অনাবিল আনন্দ।

Advertisement

Copyright © 2017 news vanguard | develope by : Gorilla Tech solution